গাজীপুরের শ্রীপুরে গভীর রাতে একটি পুলিশি অভিযানকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। ওই অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা রনিকে গ্রেপ্তারে গিয়ে ভুলে জনি নামে এক শিক্ষার্থীকে ধরে এনে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, জনির পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সোহাগ নামে এক পোশাক শ্রমিককে ঘুম থেকে তুলে এনে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দিবাগত রাত ১২ টার দিকে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা পশ্চিমপাড়া (মিশনবাড়ি) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃস্পতিবার রাতে মিশনবাড়ীর ছাত্রলীগ নেতা রনিকে খুঁজতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু ছাত্রলীগ নেতা সন্দেহে জনি নামের এক কলেজ ছাত্রকে আটকের পর লাঠিপেটা শুরু করে তারা। এ সময় জনির পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হলে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সোহাগ নামে এক পোশাক শ্রমিককে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাকেও চড়-থাপ্পড় মারা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে মুকুল নামের এক এএসআই এর বিরুদ্ধে।
এ সময় শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক, পরিদর্শক (তদন্ত) শামীম আকতার ও পরিদর্শক (অপারেশন) নয়ন কুমার করসহ একাধিক পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। অথচ তাদের কেউই এই অপেশাদার আচরণ রোধ করতে এগিয়ে আসেননি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছান সোহাগের বড় ভাই এস এম জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, পুলিশের এমন আচরণ শুধু অমানবিকই নয়, সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘন। সোহাগ কোনোভাবেই অভিযুক্ত ছিলেন না। অথচ তাকে যেভাবে রাতের ঘুম থেকে তুলে এনে চড়-থাপ্পড় কিল-ঘুষি লাথি মারা হয়েছে। অভিযানে থাকা এএসআই মুকুলের কাছে সরাসরি জানতে চেয়েছি কেন তিনি এমন আচরণ করলেন। কোনো উত্তর দেয়নি। পুলিশের সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করেছি।
শ্রীপুর থানার ওসি মহাম্মদ আব্দুল বারিক জানান, যাচাই বাছাই শেষে আটক জনিকে পুলিশের গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি গাজীপুরের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেককে জানানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।
সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী আবির আসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:১২০ নর্দান ভার্সিটি রোড( দ্বিতীয় তলা) এয়ারপোর্ট, ১২৩০ ঢাকা।
phone :01933661936
Email : dhakanewsbd24@gmail.com
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫