অনুমতি ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে ছবি-ভিডিও ধারণ ও প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
Dhakanewsbd24
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬,
অনুমতি ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো ছবি ও ভিডিও ধারণ, স্কেচ প্রণয়ন বা যেকোনো ধরনের দৃশ্যমান তথ্য সংগ্রহ ও প্রচার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
P
আজ মঙ্গলবার (৬ pঅক্টোবর) চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনার বিষয়টি জানানো হয়।
অননুমোদিত তথ্য প্রকাশ বা প্রচারের মাধ্যমে বন্দর ‘নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে’ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন, নিরাপত্তা বিধিমালা ও বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রচলিত নির্দেশনা অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
বন্দরের নির্দেশনায় বলা হয়, অনুমোদন ছাড়া বন্দরের সংবেদনশীল স্থাপনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, প্রবেশ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নজরদারি ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জাহাজ ও কার্গো ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য সংবেদনশীল স্থাপনার ফটোগ্রাফি, ভিডিও ধারণ, স্কেচ প্রণয়ন বা যেকোনো ধরনের দৃশ্যমান তথ্য সংগ্রহ ও প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও জাতীয় নিরাপত্তা বিধিমালা অনুসরণ করে বন্দরের কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, চট্টগ্রাম বন্দর অইএসপিএস অনুসরণকারী বন্দর হিসেবে জিরো অবজারভেশন অর্জন করেছে।
দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘ক’ শ্রেণীর কি পয়েন্ট ইন্সটলেশন (কেপিআই) হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও সংবেদনশীল স্থাপনাসমূহের সুরক্ষা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২২ এর ১২ ধারা অনুযায়ী বন্দরের সুষ্ঠু পরিচালনার স্বার্থে এবং সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বন্দর সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল স্থান ও স্থাপনা সংরক্ষিত বন্দর এলাকা হিসাবে বিবেচিত।
এছাড়া অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩ এর বিধান অনুসারে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবেদনশীল স্থান, তথ্য, নকশা, ছবি বা অন্যান্য উপাত্তের অননুমোদিত ধারণ, প্রকাশ বা প্রচার আইনত দণ্ডনীয় হতে পারে বলে বন্দরের নির্দেশনায় জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, গণমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সংরক্ষিত এলাকা, নজরদারি সক্ষমতা, স্থাপনার বিন্যাস, অপারেশনাল তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা ‘সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত’ এবং তা ‘কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে দাবি বন্দর কর্তৃপক্ষের।
কেপিআই, সংরক্ষিত এলাকা, এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত স্থাপনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনুমতিবিহীন কার্যক্রম কঠোরভাবে পরিহার করতে হবে বলে জানায় বন্দর।
নিদের্শনায় বলা হয়, এই প্রেক্ষিতে বন্দর ব্যবহারকারী সকলকে এ সংক্রান্ত নিরাপত্তা নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী আবির আসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:১২০ নর্দান ভার্সিটি রোড( দ্বিতীয় তলা) এয়ারপোর্ট, ১২৩০ ঢাকা।
phone :01933661936
Email : dhakanewsbd24@gmail.com
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫