ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩১ জুলাই ২০২৫
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জামায়াতে ইসলামী
  9. বঙ্গবন্ধু
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. বীর মুক্তিযোদ্ধা
  13. মতামত
  14. যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ খবর

সাপুড়ের প্রাণ নেওয়া সাপটিকে কাঁচা চিবিয়ে খেলেন আরেক সাপুড়ে

কাজী আবির আসলাম
জুলাই ৩১, ২০২৫ ১:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সাপুড়ের প্রাণ নেওয়া সাপটিকে কাঁচা চিবিয়ে খেলেন আরেক সাপুড়ে

DhakaNewsBd24
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সাপুড়ে বয়েজ উদ্দিনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া বিষধর গোখরা সাপটিকে কাঁচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলেছেন মোজাহার নামের আরেক সাপুড়ে। স্থানীয়ভাবে ‘সাপখেকো মোজাহার’ হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বল্লভেরখাষ ইউনিয়নের গাবতলা বাজারে জনসমক্ষে এ ঘটনা ঘটান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোজাহার বাজারে বসেই সাপটি মেরে তার রক্ত ও মাংস চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন। এ সময় বাজারে শত শত উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়

ওইদিন সকালে উপজেলার কালিগঞ্জ ইউনিয়নের কাপালিপাড়ায় ইমরান আলীর বাড়িতে সাপ ধরতে গিয়ে বিষধর গোখরা সাপের ছোবলে প্রাণ হারান বয়েজ উদ্দিন। রান্নাঘরের ইঁদুরের গর্তে আশ্রয় নেওয়া একটি বড় গোখরা সাপ ও তার বাচ্চাগুলো ধরার সময়ই তিনি ছোবলে আক্রান্ত হন। প্রথমে তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা না দিলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তার শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ে।

তাকে দ্রুত ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বয়েজ উদ্দিনের মরদেহ যখন তার বাড়ি বল্লভেরখাষ ইউনিয়নের ডাক্তারপাড়ায় আনা হয়, তখন সেখানে আসতে থাকেন কয়েকজন ওঝা ও সাপুড়ে। তাদের একজন ছিলেন মোজাহার। তিনি জানান, মৃত্যুর খবর শুনেই তিনি ছুটে যান এবং পরিবারের সদস্যরা তাকে সেই সাপসহ সাপের বাচ্চাগুলো দিয়ে দেন।

এরপর তিনি গাবতলা বাজারে গিয়ে বড় সাপটিকে মেরে ফেলেন এবং কাঁচা চিবিয়ে খান। ছোট বাচ্চাগুলো তিনি ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানান।

মোজাহার বলেন, “বয়েজ উদ্দিনের ছোবল খাওয়া সাপটি আমি চিনি। এমন সাপের ছোবল থেকে বাঁচা খুব কঠিন। আমাকে ডাকা হয়েছিল, কিন্তু পৌঁছানোর আগেই সে মারা যায়। পরে তার পরিবার সাপগুলো আমাকে দেয়। আমি বড় সাপটি মেরে রক্ত-মাংস খাই। এটা আমার পুরোনো অভ্যাস

এদিকে বয়েজ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণার পরও সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে জীবিত করার জন্য ঝাড়ফুঁক চলতে থাকে বলে এলাকাবাসী জানান। তবে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস এম আবু সায়েম বলেন, “সাপে কাটলে ঝাড়ফুঁকে কোনো লাভ নেই। দ্রুত হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিতে হবে। আমাদের কাছে অ্যান্টিভেনম মজুত আছে। জনগণকে এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে।”(তথ্য সংগ্রহ)