চাকরি জীবনে শেষ ইচ্ছা – বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এয়ারপোর্টে রিসিভ করতে চান এয়ারপোর্ট কর্মচারী ড্রাইভার সিরাজদ্দৌলা
স্টাফ রিপোর্টার
Dhakanewsbd24
প্রকাশ : _২৪ আগস্ট ২০২৫
বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ও এয়ারপোর্ট কর্মচারী ড্রাইভার সিরাজদ্দৌলা তার চাকরিজীবনের শেষ ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি চান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান দেশে ফেরার দিন বিমানবন্দরে তাকে প্রটোকল দিতে চান।
ঢাকা নিউজ বিডি২৪–কে তিনি জানান, ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়ার সময় তিনি নিজে কয়েকজন সহকর্মীসহ অসুস্থ তারেক রহমানকে প্লেনে তুলে দেন। সে সময় অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত থাকলেও, ডিজিএফআইয়ের ভয়ে কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি।বেবিচকের একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সহযোগিতায় সাবেক মন্ত্রী পলক এবং মেজর জেনারেল জিয়াউর আহসান বিমানবন্দর দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক করেন তৎকালীন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এস এম,,,, ও সিরাজদ্দৌলা এর সহযোগিতায় অন্যান্য দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। এটাই সিরাজদ্দৌলার বদলির মূল কারণ।
সিরাজদ্দৌলা আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে বলেন—
“তারেক রহমান সাহেবকে প্লেনে ওঠানোর পরে আমাকে টয়লেটের ভেতরে নিয়ে ডিজিএফআই নির্যাতন করে, মাথা ফাটিয়ে দেয়। পরে মহিলা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরি। চাকরি হারানোর ভয় করিনি, শুধু নেতাকে সহযোগিতা করেছি।”
তিনি আরও জানান, বিএনপি নেতাদের দেখলেই তিনি পাগলের মতো দৌড়ে যান সাহায্য করতে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের সদস্য সচিব। সাবেক সভাপতি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ হাটহাজারী চট্টগ্রাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক যুবদল হাটহাজারী ইউনিয়ন চট্টগ্রাম,তার ঘনিষ্ঠতা বিএনপির বেশ কিছু সাবেক এমপি–মন্ত্রীর সঙ্গে থাকায় পরবর্তীতে তাকে সৈয়দপুরে বদলি করা হয়েছে।
বদলি কারনে দুঃখ প্রকাশ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সিরাজদ্দৌলা বলেন—
“২০০৮ সালে যখন তারেক রহমান সাহেব অসুস্থ অবস্থায় বিদেশে গেলেন, আমি প্রাণপণ সহযোগিতা করেছি। আজ স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটেছে, আমি আশা করেছিলাম দেশে ফেরার দিনে তাকে রিসিভ করব। এটিই আমার চাকরিজীবনের শেষ ইচ্ছা। কিন্তু ষড়যন্ত্র করে আমাকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়েছে। যদি আবার, ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়, তাহলে ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকতে চাই।”
তার একান্ত আকাঙ্ক্ষা—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশে ফেরার দিন ঐতিহাসিক দিনের ইতিহাস হয়ে থাকতে চান।

