বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন বৃত্তি এসোসিয়েশন আয়োজিত সনদ, সম্মাননা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন
Dhakanewsbd24
ঢাকা প্রতিনিধি
প্রকাশ:২৬ অক্টোবর ২০২৫
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন বৃত্তি এসোসিয়েশন আয়োজনে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সনদ, সম্মাননা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন।বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন বৃত্তি এসোসিয়েশন সভাপতি মো: মিজানুর রহমান ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন।বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন বৃত্তি এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল হোসেন।
উপস্থিত ছিলেন
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন বৃত্তি এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শিপন,
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর মোঃ আব্দুর রউফ স্বপন এবং সরদার সুরুজ্জামান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সুরুজ্জামান। আরও উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, তাহের গ্রুপ এবং মোঃ তাইজুল ইসলাম কবির, ম্যানেজিং ডিরেক্টর,রাইটওয়ে এসেট লিমিটেড।
বক্তারা অনুষ্ঠানে বলেন, “কমলমতি শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। যারা বৃত্তি পেয়েছে তারা যেন আরও মনোযোগী হয়ে পড়ালেখা চালিয়ে যায় এবং যারা বৃত্তি বা অংশগ্রহণ করে নাই, তারা যেন কোনোভাবেই হতাশ না হয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেয়। প্রত্যেক শিশুকেই সমাজ ও দেশের জন্য অবদান রাখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।”
**** বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন বৃওি এসোসিয়েশন সভাপতি মো: মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “যে শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পেয়েছে তারা দেশ-বিদেশের বড় মঞ্চে প্রতিযোগিতা করার যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করবে। আজকের শিশু আগামীর রাষ্ট্র নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অভিভাবকদের দায়িত্ব নিতে হবে—সন্তানদের প্রতিটি পদক্ষেপে নজরদারি করা এবং তাদের মানসিকভাবে দৃঢ় করা।”
**** বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সম্পাদক কাজী ইকবাল হোসেন বলেন, “জাতি গঠনের মূল কারিগর হবে এই ছাত্রছাত্রীরা। বৃত্তি পাওয়া মানেই সাফল্যের শেষ নয়, বরং নতুন পথচলার সূচনা। যাদের এবার বৃত্তি হয়নি তারা যেন মনোবল না হারিয়ে সামনে আরও ভালো ফলাফলের জন্য প্রস্তুতি নেয়। অভিভাবকরা যেন তাদের সন্তানদের আত্মবিশ্বাস জোগান এবং প্রতিনিয়ত পড়াশোনার প্রতি উৎসাহিত করেন।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন
**** বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন বৃত্তি এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিডস গার্টেন একাডেমির অধ্যক্ষ এনামুল হক শিপন বলেন,
“ছাত্রছাত্রীরা আগামীর প্রজন্ম—এরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাই বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি শিক্ষাও গ্রহণ করতে হবে। আরবি শিক্ষার প্রসার ঘটলে সমাজে শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ। বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শুভকামনা জানিয়ে বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশ পরিচালনায় এ শিশুরাই হবে আলোকবর্তিকা।

