ব্যস্ততম শহরে কৃষির সবুজায়নে করবো চাষাবাদ এটাই ভবিষ্যৎ হাজীগঞ্জের সন্তান পাইলট
Dhakanewsbd24
প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৫
প্রকৌশলী থেকে কৃষি অনুরাগী
চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬ নং বড়কুল সোনাইমুড়ী গ্রামের মোল্লা বাড়ির সন্তান মো: আব্দুল মোতালেব পাইলট। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান । পারিবারিক ঐতিহ্য ও মুক্তিযোদ্ধা বাবার সাহসিকতাকে ধারণ করে গড়ে তুলেছেন অনন্য দৃষ্টান্ত।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষে বর্তমানে কর্মরত আছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে একজন প্রকৌশলী হিসেবে। পেশাগত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি থেমে থাকেননি—সময় পেলেই ডুব দেন সবুজের সান্নিধ্যে।
ঢাকার বুকে নগরবাগান
রাজধানীর মতো জনবহুল ও ব্যস্ত শহরে তিনি গড়ে তুলেছেন অসাধারণ এক নগরবাগান। এখানে রয়েছে ২০টিরও বেশি প্রজাতির ফল ও শাকসবজি, দেশি-বিদেশি বিলুপ্তপ্রায় ওষুধি গাছ এবং নানান প্রজাতির ফুল।
শহরের সীমিত জায়গাতেও কৃষি সম্ভব—এমন প্রমাণ রেখেছেন মোতালেব হোসেন পাইলট।
ব্যক্তিগত শখ নয়, অনুপ্রেরণা
মোতালেব হোসেন মনে করেন, কেবল প্রযুক্তি নয়, প্রকৃতির সাথেও থাকতে হবে সমন্বয়। তাহলেই জীবন হবে পূর্ণ।
তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে
“করবো চাষাবাদ, এটাই ভবিষ্যৎ।”
এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি স্বপ্ন দেখেন সারা দেশে কৃষিবিপ্লবের।
সচেতনতামূলক কনটেন্ট নির্মাতা
কৃষি নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করেন তিনি। তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে চান শহুরে পরিবেশে সবুজায়নের মাধ্যমে।
নগর কৃষির সম্ভাবনা
মোতালেব হোসেনের প্রচেষ্টা আজ এক দৃষ্টান্ত। তাঁর নগরবাগান প্রমাণ করেছে—
ইচ্ছা থাকলে শহরের অল্প জায়গাতেও কৃষি সম্ভব।
আধুনিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও প্রকৃতিকে আঁকড়ে ধরা যায়।
প্রযুক্তি ও প্রকৃতির মিলনেই গড়ে ওঠে টেকসই ভবিষ্যৎ।

