বিশেষ প্রতিনিধি:Dhakanewsbd24
একটি শ্রেণিকক্ষে শতাধিক ছাত্র,
কেউ প্রথম সারিতে, কেউ পেছনের বেঞ্চে।
রোল নাম্বার কারও এক নয়,
তেমনি জীবনের গন্তব্যও এক হয় না।
কারও হাতে ধরা দেয় টাকা—
তার চারপাশে আলোর ঝলকানি,
মানুষ বলে—
সে-ই সফল, সে-ই জয়ী।
আবার কারও হাতে টাকা আসে না—
তার স্বপ্ন মিশে যায় অন্ধকারে,
মানুষ বলে—
সে ব্যর্থ, সে হারা।
এভাবেই চলছে পৃথিবীর হিসাব,
সাফল্য মাপে শুধু টাকার পাল্লায়।
এটাই জগৎ,
নির্মম অথচ সত্য।
জীবনের শেষ লেখায় অনেক অভিযোগ ও প্রশ্ন রেখে গেলেন সাংবাদিক বিভুরঞ্জন
প্রবীণ সাংবাদিক ও কলাম লেখক বিভুরঞ্জন সরকার প্রবীণ
এক ঘন্টা আগে
“আমার জীবনে কোনো সাফল্যের গল্প নেই। সাংবাদিক হিসেবেও এ-ডাল ও-ডাল করে কোনো শক্ত ডাল ধরতে পারিনি। আমার কোথাও না কোথাও বড় ঘাটতি আছে। এই ঘাটতি আর কাটিয়ে ওঠা হলো না। দুঃখই হোক আমার জীবনের শেষ সঙ্গী। আর পৃথিবীর সকল প্রাণী সুখী হোক।”
এই লেখাগুলো সিনিয়র সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের। একদিন নিখোঁজ থাকার পর শুক্রবার যার মরদেহ মুন্সিগঞ্জের মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধারের খবর জানায় পুলিশ।
এর একদিন আগে ‘খোলা চিঠি’ নামে একটি লেখাকে নিজের শেষ লেখা বলে স্থানীয় একটি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছিলেন তিনি। আর ফুটনোটে লিখেছিলেন, “জীবনের শেষ লেখা হিসেবে এটা ছাপতে পারেন।”
পরিবারের সদস্যরা বলছেন, অফিস যাওয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন বিভুরঞ্জন সরকার। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। রাতে বাসায় না ফেরায় রাজধানীর রমনা থানায় সাধারণ ডায়েরি করে তার পরিবার।
বিভুরঞ্জনের ছেলে ঋত সরকারের করা ওই জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্য দিনের মতোই বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় অফিসের জন্য বেরিয়েছিলেন তার বাবা। কিন্তু তারপর আর বাসায় ফেরেননি।

