ঢাকারবিবার , ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জামায়াতে ইসলামী
  9. বঙ্গবন্ধু
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. বীর মুক্তিযোদ্ধা
  13. মতামত
  14. যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ খবর

মহৎ চরিত্র গঠনে শহীদ জিয়া এক আদর্শ অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

admin
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬ ৪:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মহৎ চরিত্র গঠনে শহীদ জিয়া এক আদর্শ অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত
DhakaNewsBD24
প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
আগামীকাল সোমবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে রোববার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণী দিয়েছেন।
বাণীতে তিনি শহীদ জিয়াকে একজন স্বপ্নদ্রষ্টা রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দেশপ্রেম, সাহস, সততা এবং সহজ-সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের প্রতীক ছিলেন জিয়াউর রহমান। তাঁর অবদান দেশের জন্য অসামান্য। সমাজে যে কোনো ব্যক্তির মহৎ চরিত্র গঠনে শহীদ জিয়া এক আদর্শ অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। শহীদ জিয়ার প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনেই আমাদের জাতিসত্তার সঠিক স্বরূপ প্রতিফলিত হয়েছে, যা আমাদের ভৌগোলিক জাতিসত্তার একটি সুস্পষ্ট পরিচয় দেয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, মুক্তিযুদ্ধে জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের প্রবক্তা ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য জিয়াউর রহমান বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। জীবদ্দশায় তিনি দেশের নানা সংকটকালে জাতির অন্যতম দিশারী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। রণনায়ক হিসেবে তিনি ছিলেন দেশবাসীর কাছে সমাদৃত ও সম্মানিত।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ হানাদার বাহিনীর নৃশংস গণহত্যার বিরুদ্ধে তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে তিনি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দীর্ঘ নয় মাস অসীম সাহসিকতার সঙ্গে তিনি দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে যখন বাক্‌স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র হরণ করা হয় এবং দেশ দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাসে পতিত হয়, তখন ৭ নভেম্বরের সৈনিক-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে আসেন। ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রকে দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ জিয়া উৎপাদনের রাজনীতির মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নেন। কৃষি বিপ্লব, গণশিক্ষা কার্যক্রম, শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তিনি স্বেচ্ছাশ্রম ও সরকারি সহায়তার সমন্বয়ে ১ হাজার ৪০০ খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। গণশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ মানুষকে অক্ষরজ্ঞান দেন।
তিনি বলেন, গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন করে গ্রামাঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হয়। পল্লী চিকিৎসক ব্যবস্থা চালু করে তাঁর আমলে ২৭ হাজার ৫০০ পল্লী চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়, যার ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবার সুযোগ বৃদ্ধি পায়।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, শহীদ জিয়া ছিলেন একাধারে গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক। যেকোনো আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন আপসহীন ও নির্ভীক। স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে তিনি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) গঠনের উদ্যোগ নেন এবং এর মাধ্যমে জাতির মর্যাদা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুদৃঢ় করেন।
তিনি বলেন, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা নিজেদের নীলনকশা বাস্তবায়নের পথে বাধা মনে করে শহীদ জিয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তবে তাঁর আত্মত্যাগের ফলে জনগণের মধ্যে দেশবিরোধী চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে এক ইস্পাতকঠিন গণঐক্য গড়ে ওঠে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহীদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে আসুন আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোটাধিকার, মানবিক সাম্য ও ন্যায়বিচার ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি