ম্যারাথন ট্রেইনার সাজ্জাদ হোসেন স্নিগ্ধ অর্ধউলঙ্গ অবস্থায় মেট্রোতে পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা
Dhakanewsbd24
প্রকাশ :২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সম্পাদকীয়
গতকাল থেকে বারবার টাইমলাইনে আসছে—হাফপ্যান্ট পরার কারণে মেট্রোরেলে এক অ্যাথলেটকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। অনেকেই আবার প্রশ্ন তুলছেন, মেট্রোরেলে কি কোনো ড্রেসকোড আছে? হাফপ্যান্ট পরে গেলে সমস্যা কী?
তাদের উদ্দেশে বলছি, মেট্রোরেলে কোনো নির্দিষ্ট ড্রেসকোড নেই বলেই কি আপনি অর্ধনগ্ন কিংবা পুরো নগ্ন হয়ে মেট্রোরেলে প্রবেশ করবেন?
মেট্রোরেল একটি পাবলিক প্লেস। প্রতিটি পাবলিক প্লেসেরই কিছু নিয়মনীতি ও সামাজিক শালীনতার বিষয় থাকে। এখানে আপনি ধূমপান করতে পারেন না, অশালীন আচরণ করতে পারেন না কিংবা অশোভন পোশাকে ভ্রমণ করতে পারেন না।
আপনি অ্যাথলেট হলে মেট্রোরেলে প্রবেশের আগে আপনার ছোট্ট প্যান্টটির ওপর একটি ট্রাউজার পরে নিতে পারেন। এতে আপনারও কোনো ক্ষতি হবে না, অন্য যাত্রীদেরও অস্বস্তিতে পড়তে হবে না।
মেট্রোরেলে আমার-আপনার মা, বোন, স্ত্রী ও সন্তানরাও ভ্রমণ করেন। তাদের যেন কোনো পোশাক বা আচরণের কারণে বিব্রত হতে না হয়, সেটি নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
একজন নারী যদি অত্যন্ত ছোট পোশাকে গণপরিবহনে ভ্রমণ করেন এবং সেটিকে অনেকের কাছে অস্বস্তিকর মনে হয়, তাহলে একই ধরনের পোশাকে একজন পুরুষ ভ্রমণ করলেও সেটি অস্বস্তিকর মনে হতে পারে—শালীনতার মানদণ্ড সবার ক্ষেত্রেই সমান হওয়া উচিত।
আমি ওই পুলিশ সদস্যের পক্ষে দাঁড়ালাম। আমার দৃষ্টিতে, এমন পোশাকে মেট্রোরেলে প্রবেশের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে তিনি দায়িত্ব পালনের জায়গা থেকেই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
পাবলিক প্লেস সবার—তাই নিজের স্বাধীনতার পাশাপাশি অন্যের স্বস্তি ও সামাজিক শালীনতার প্রতিও আমাদের দায়িত্বশীল থাকা উচিত।

