ঢাকাবুধবার , ২১ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জামায়াতে ইসলামী
  9. বঙ্গবন্ধু
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. বীর মুক্তিযোদ্ধা
  13. মতামত
  14. যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ খবর

রূপগঞ্জে জিয়াউল আহসানের মালিকানাধীন ফ্ল্যাট সিলগালা

admin
জানুয়ারি ২১, ২০২৬ ১০:৫১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রূপগঞ্জে জিয়াউল আহসানের মালিকানাধীন ফ্ল্যাট সিলগালা
Dhakanewsbd24
প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি |
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের মালিকানাধীন একটি ফ্ল্যাট সিলগালা করেছে প্রশাসন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের রাজস্ব বিভাগের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা আরডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার পারভেজ।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রূপগঞ্জ উপজেলার জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের ১২ নম্বর সেক্টরের ৫০৬ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর প্লটে অবস্থিত ‘জয়িতা’ নামের আটতলা ভবনটির মালিক জিয়াউল আহসান। ভবনটিতে একাধিক ভাড়াটিয়া বসবাস করায় একটি ফ্ল্যাট ছাড়া অন্যগুলো সিলগালা করা সম্ভব হয়নি।
অভিযানকালে পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলের কানুনগো দেলোয়ার হোসেন, সার্ভেয়ার আবুল হোসেন, নামজারি সহকারী কাম ক্যাশিয়ার ইমরান হোসেন এবং রূপগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার আবুল কালাম উপস্থিত ছিলেন।
দুদক সূত্র জানায়, এনটিএমসির মহাপরিচালক থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে গত বছরের ২৩ জানুয়ারি জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি নিজ নামে প্রায় ২২ কোটি ২৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন এবং অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করে ব্যাংক হিসাবে বৈদেশিক মুদ্রা জমা রেখেছেন।
এছাড়া তার নামে থাকা একাধিক সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুদক। অভিযোগে আরও বলা হয়, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি স্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিপুল অর্থ স্থানান্তর ও হস্তান্তর করেছেন।
দুদকের মতে, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, দণ্ডবিধি এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের একাধিক ধারায় অপরাধ করেছেন।