ঢাকাসোমবার , ২ মার্চ ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জামায়াতে ইসলামী
  9. বঙ্গবন্ধু
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. বীর মুক্তিযোদ্ধা
  13. মতামত
  14. যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ খবর

গলাকাটা অবস্থায় জঙ্গলে হাঁটছিল শিশু, কথা বলার শক্তিও নেই

admin
মার্চ ২, ২০২৬ ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

গলাকাটা অবস্থায় জঙ্গলে হাঁটছিল শিশু, কথা বলার শক্তিও নেই
Dhakanewsbd24
প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দুপুরে রক্তাক্ত ও সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেন স্থানীয় শ্রমিক ও যুবকরা। বর্তমানে সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।
আহত শিশুটির বয়স সাত বছর। সে সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টার দিকে ইকোপার্কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার গভীরে সড়কের ব্লক নির্মাণকাজ চলছিল। এ সময় একটি স্কেভেটর চালক দেখতে পান, জঙ্গল থেকে টলমল পায়ে রক্তাক্ত এক শিশু রাস্তার দিকে এগিয়ে আসছে। শিশুটির গলার শ্বাসনালী কাটা ছিল। তার পোশাক রক্তে ভেজা এবং শরীরের নিচের অংশে পোশাক ছিল না।
তাৎক্ষণিকভাবে শ্রমিকরা শিশুটির গলার ক্ষতস্থান কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে একটি ট্রাকে করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাব হোসেন বলেন, “শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। তার শ্বাসনালী কেটে যাওয়ায় সে কথা বলতে পারছে না। প্রাথমিক আলামত ও পোশাকের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চমেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।”
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শিশুটিকে কুমিরা এলাকা থেকে তুলে আনা হয়েছিল। ইকোপার্ক সড়কে কর্মরত তিন যুবক তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। শিশুটি কথা বলতে না পারলেও ইশারায় বোঝানোর চেষ্টা করছে—অপরাধীকে সামনে পেলে সে চিনতে পারবে।