সেই কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠাল আদালত
Dhakanewsbd24
প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনে ফুটপাতে বিশ্রাম নেওয়ার সময় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীমের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার আইনের সংঘাতে জড়িত শিশু আজান আলী শরীফকে সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদিরের আদালতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।
এদিন তার পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. আলমগীর হোসেন জামিনের আবেদন করেন। জামিন আবেদনে বলা হয়, এই কিশোর গাড়িতে চালকের পাশের আসনে বসা ছিল। নিহত মেহেদী একজন শ্রবণ ও বাক্প্রতিবন্ধী ছিলেন। তাকে হর্ন বাজানো সত্ত্বেও দ্রুত সরে যেতে না পারায় দুর্ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে যায়।
আবেদনে আরও বলা হয়, স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে কিশোরের পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে নয় লাখ টাকা নগদ ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
এর আগে আইনের সংঘাতে জড়িত শিশুকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. আরিফীন ইসলাম আটক রাখার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, মামলাটি তদন্তকালে ঘটনাস্থলসহ আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ঘটনার পরপরই প্রাইভেট কারের ডান পাশের চালকের আসন থেকে তদন্তে প্রাপ্ত আইনের সংঘাতে জড়িত শিশু আজান আলী শরীফকে দরজা খুলে বের হতে দেখা যায়। তদন্তকালে ঘটনার সঙ্গে আইনের সংঘাতে জড়িত শিশু আজান আলী শরীফের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যাচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আইনের সংঘাতে জড়িত শিশুকে আটক রাখার আবেদন করা হয়।
এদিকে, মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় তার বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে গতকাল বুধবার রাজধানীর গুলশান থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় গাড়িটির চালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আকাশ মারক বেপরোয়া গতিতে প্রাইভেট কার চালিয়ে মেহেদীকে গাড়িচাপা দিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে তার মৃত্যু হয়।

