ঢাকা-১৮ আসনে এস এম জাহাঙ্গীরের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে একতা বজায় রাখার আহ্বান
Dhakanewsbd24
প্রকাশ: ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
বহু প্রতীক্ষার পর ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে এস এম জাহাঙ্গীরকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, এটি দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত। তাই দলের মনোনীত প্রার্থীর পাশে দাঁড়িয়ে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
নেতারা বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা অত্যন্ত জটিল। এ পরিস্থিতিতে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে মনোনীত প্রার্থীর বিজয়ের জন্য সকল মনোনয়নপ্রত্যাশী ও কর্মীদের একযোগে কাজ করতে হবে। কারণ দল শক্তিশালী থাকলে নেতাকর্মীরাও শক্ত অবস্থানে থাকেন; কিন্তু দল দুর্বল হলে ক্ষতির মুখে পড়ে পুরো সাংগঠনিক কাঠামো। একটি আসন হারালে সেই শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তারা।
এদিকে, এস এম জাহাঙ্গীরের মনোনয়ন প্রত্যাহারের দাবিতে আজ সন্ধ্যায় উত্তরা এলাকায় মশাল মিছিল হয়েছে। তবে দলীয় নেতারা মনে করিয়ে দিয়েছেন, যাদের দ্বিতীয়বার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তারা তারেক রহমানের মূল্যায়ন ও আস্থার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানানোই এখন দলের স্বার্থে জরুরি।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলেন, প্রায় দুই দশক ধরে বিএনপি ক্ষমতার বাইরে। বর্তমান সময়ে মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নির্বাচনে বিজয় অর্জন, সংসদে যাওয়া এবং সরকার গঠন করা। দেশের রাজনীতিতে তৃতীয় পক্ষের ‘কালো ছায়া’ দূর করতে দলীয় ঐক্য এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে তারা তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
“তারেক রহমান হাসলে দেশ হাসবে।” যেমন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খননের মাধ্যমে দেশে কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন, তেমনি তারেক রহমানও ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবেন—এমন আশা তৃণমূল কর্মীদের।
তাই মশাল মিছিল নয়; বরং ফুলের মালার মিছিল দিয়ে মনোনীত প্রার্থীকে স্বাগত জানানো এবং ঐক্যবদ্ধভাবে ঢাকা-১৮ আসনকে তারেক রহমানকে ‘উপহার’ দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এ ছাড়া যেসব নেতাকর্মী এবার পদ পাননি, তাদের যোগ্যতা বিবেচনায় যথাযথ পদায়ন নিশ্চিত করা। ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন ও গ্রুপিং রাজনীতি পরিহার করে সবাইকে এক কাতারে এসে দলের প্রার্থীকে সহযোগিতার ওপর জোর দাবি।
ঢাকা-১৮ আসনকে ‘রোড মডেল’ হিসেবে গড়ে তুলতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা দমন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনগণের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মনোনীত প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শও দেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উক্তি, প্রকৃত রাজনীতির চেতনা জনগণের জন্য কাজ করা।

