ঢাকাবুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জামায়াতে ইসলামী
  9. বঙ্গবন্ধু
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. বীর মুক্তিযোদ্ধা
  13. মতামত
  14. যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ খবর

ট্রান্সজেন্ডার বিয়েতে এনআইডি জালিয়াতির অভিযোগ, হাইকোর্টের রুল

admin
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ট্রান্সজেন্ডার বিয়েতে এনআইডি জালিয়াতির অভিযোগ, হাইকোর্টের রুল
Dhakanewsbd24
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর একটি মন্দিরে গত ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত কথিত ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’কে কেন্দ্র করে অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার ও মিথ্যা পরিচয়ের অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আহসান ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল।
রিটে বলা হয়, গত ১০ জুলাই ওই মন্দিরে তাসনুভা আনান শিশিরকে ‘কনে’ হিসেবে উপস্থাপন করে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ঘটনাটি বাংলাদেশের প্রথম ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’ হিসেবে প্রচারিত হয়।
রিট আবেদনকারীর অভিযোগ, অনুষ্ঠানে ‘শিশির বিশ্বাস’ নামে যে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, সেটির প্রকৃত মালিক মো. জাহিদুল ইসলাম নামে একজন ব্যক্তি। অন্যের এনআইডি নম্বর ব্যবহার করে নাম, ছবি, বাবা-মায়ের নাম ও জন্মতারিখ পরিবর্তনের মাধ্যমে ‘শিশির বিশ্বাস’ নামে ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে বলেও রিটে দাবি করা হয়েছে।
রিটে আরও বলা হয়, ২০২৩ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠিতে বাংলাদেশে লিঙ্গ পরিবর্তনের বৈধতা দেওয়ার মতো কোনো আইন বা বিধান নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ-সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।
রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এবং চকবাজার থানার ওসিকে বিবাদী করা হয়েছে।
গত ৩০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান রিটটি করেন। এর আগে ২৪ আগস্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ‘ডিমান্ড অব জাস্টিস’ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগে পরে হাইকোর্টে রিট করা হয়।
রিটে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০২৩-এর ২৩ ও ২৭ ধারা, দণ্ডবিধির ৪১৯, ৪৬৮, ৪৭১ ও ৪৯৬ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধানের উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।