ভাইরাল রাজনীতির নামে দেশজুড়ে তামাশা করছে এনসিপি: যোগ্যতার কবর দিয়ে ভাইরাল সুজনকে ঢাকায় ঠেলছে দলটি
DhakaNewsBD24 | অনুসন্ধানী রিপোর্টার
কাজী আবির আসলাম
প্রকাশ:২১ নভেম্বর ২০২৫
গণতন্ত্রের নামে দেশে ‘‘ভাইরাল রাজনীতি’’র নোংরা সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করছে সদ্য গঠিত এনসিপি—এমন অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসছে রাজনৈতিক অঙ্গন। যোগ্য নেতৃত্ব না এনে, গণঅভ্যুত্থানের সময় রিকশা থেকে স্যালুট দেওয়ায় ভাইরাল হওয়া সুজনকে ঢাকাই রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে বসানোর চেষ্টা করায় দলটিকে ‘‘রাজনীতির ক্যান্সার’’ হিসেবে দেখছে অনেকে।
ঢাকা–৮ আসনে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা মির্জা আব্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ভাইরাল রিকশাচালক সুজনের নাম ঘোরাফেরা করা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক মহল বলছে, “একটা আসন মানে দেশের ভাগ্য—এটা কি ভাইরাল হওয়ার আগুনে পোড়া খেলনা? যোগ্যতা, রাজনৈতিক বোধ, নেতৃত্ব—এসব কিছুই কি আর প্রয়োজন নেই?”
দলটির কর্মকাণ্ডে দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে—রাজনীতিকে তারা ‘ক্লাউট গেম’ বানিয়ে ফেলেছে।
সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ভাইরাল সুজন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে অবমাননাকর মন্তব্য করেন। এতে বিএনপি নেতারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন,
“খালেদা জিয়া দেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সম্পদ। যাঁকে সম্মান করে দেশের বড় বড় নেতারা কথা বলেন, সেখানে একটি ভাইরাল রিকশাচালক কী সাহসে তাঁর বিরুদ্ধে অশ্রদ্ধার ভাষা ব্যবহার করে?”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা আরও একধাপ এগিয়ে বলছেন,
“এনসিপি স্পষ্টতই বাইরের প্রেসক্রিপশনে চলছে। যোগ্যতার পরিবর্তে ভাইরাল মুখ আনতে চাওয়া মানে দেশের রাজনীতিকে রাস্তার স্তরে নামিয়ে আনা।”
তারা মনে করেন, এনসিপির এই পথচলা শুধু অপরিণত নয়, বিপজ্জনকও।
“এই দল আজ ভাইরালদের তুলে দিচ্ছে, কাল রাষ্ট্রযন্ত্রে সমস্যা সৃষ্টি করবে। জনগণের সামনে তাদের কঠিন জবাবদিহিতা আসছে।”
দেশজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন—
“রাজনীতি কি ভাইরাল হওয়ার প্ল্যাটফর্ম, নাকি রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্যদের আসন?”
এনসিপির পদক্ষেপে সেই প্রশ্ন আরও বিস্ফোরকভাবে সামনে এসেছে।

